২৬৪ জন পোশাক শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত : বিজিএমইএ সভাপতি

প্রকাশিত

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : দেশে এপর্যন্ত ২৬৪ জন তৈরিপোশাক শ্রমিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক। গতকাল বৃহষ্পতিবার শ্রমিকদের করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য দেশের প্রথম স্টেট অব দ্যা আর্ট কোভিড-১৯ ল্যাব চালু উপলক্ষে আয়োজিত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। তবে সেনসেটিভ বিবেচনায় এসব শ্রমিকের পরিচয় ও কারখানার নাম বলতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, প্রতিদিন আমরা করোনা ভাইরাসে আক্রানন্ত শ্রমিকদের তথ্য সংগ্রহ করছি। গতকাল রাত পর্যন্ত ২৬৪ জন শ্রমিক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের সবাইকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। চিকিৎসার সব ব্যয় বহন করছে মালিক পক্ষ। তিনি বলেন, করোনায় স্থগিত হওয়া ৩ দশমকি ১৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ২৬ ভাগ অর্ডার ফিরে পেয়েছি। তিনি বলেন, করোনায় ৪২ হাজার কোটি টাকার ধাক্কা খাবে পোশাক খাত। তারপরও এ বছর পোশাক খাত থেকে ২৩ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয় হবে হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

একই অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে আক্রান্তদের জন্য আইসোলেশন সেন্টার স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, দেশের বড় বড় কোম্পানি নিজস্ব অফিসে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করতে পারে। তিনি বলেন, শুনেছি অনেক কারখানায় শ্রমিকদের জন্য ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইন স্থাপন করা হয়েছে। অনেক কারখানায় করোনা আইসোলেশন সেন্টারও স্থাপন করা হয়েছে। ফলে প্রতিদিনই করোনা থেকে সুস্থ হয়ে কাজে ফিরছেন অনেকে। সরকারের পক্ষ থেকে সুস্থ হওয়ার যে তথ্য দেওয়া হচ্ছে, প্রকৃতপক্ষে তার চেয়ে বেশি সুস্থ হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এই ল্যাব চালুর মাধ্যমে বিজিএমইএ আবারও প্রমাণ করলো এর সদস্যরা শুধু ব্যবসা করে না, মানবিকভাবে শ্রমিকদের পাশেও দাঁড়ায়।

বিজিএমইএ সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, খুব শিগগিরই চট্টগ্রাম ও নারায়নগঞ্জে একটি করে দুটি ল্যাব করা হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলে চারটি ল্যাব বসবে। এছাড়া নারী শ্রমিকদের জন্য আলাদা আইসোলেনশন সেন্টারও করা হবে।

শেয়ার করুন