২০ কোটি টাকার বই দুর্নীতি : তদন্তে সংসদীয় উপকমিটি

প্রকাশিত

মুক্তমন ডেস্ক:প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু বুক কর্নারে বিতরণের জন্য জাতির পিতাকে নিয়ে লেখা ‘নকল বই’ বানিয়ে ২০ কোটির বেশি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা তদন্ত করতে সংসদীয় উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৮ম বৈঠকে এই উপকমিটি গঠন করা হয়।

সংসদ-সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বাবুকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি সংসদীয় সাব-কমিটি গঠন করে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন আলী আজম এমপি, বেগম শিরীন আখতার এমপি ও মো. মোশারফ হোসেন এমপি।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, কমিটি ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে প্রকাশিত পুস্তক ক্রয়ের অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করার জন্য সাব-কমিটি গঠন করেছে।

আমরা বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে জানতে পারি। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।

বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল হোসেন, অতিরিক্ত সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মুজিববর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নারের জন্য বঙ্গবন্ধু বিষয়ক দুটি বই কেনা এবং সেই বইয়ের গ্রন্থস্বত্ব ও মেধাস্বত্ব চুরি করে ২০ কোটি টাকারও বেশি হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ প্রকল্পে এসব অনিয়মের পেছনে রয়েছে ‘জার্নি মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড’ ও ‘স্বাধীকা পাবলিশার্স’ নামে দুটি প্রকাশনা সংস্থা।

প্রকল্পের মোট ২৮ কোটি ৭৮ লাখ ১২ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে ২০ কোটি ৭০ লাখ ৮৬ হাজার ৪০০ টাকাই পাচ্ছেন ওই দুটি প্রতিষ্ঠানের নামে নাজমুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি।

এর লেখক ভিন্ন হলেও নিজের নামের চালিয়ে দিয়েছেন তিনি। একটি ‘বঙ্গবন্ধু মানেই স্বাধীনতা’ এবং অন্যটি বঙ্গবন্ধুর জেলজীবন নিয়ে বই ‘৩০৫৩ দিন’ বই দুটি কেনার ক্ষেত্রে এ দুর্নীতি হয়েছে।

শেয়ার করুন