সাকা ও মুজাহিদের বাড়িতে কড়া নিরাপত্তা

প্রকাশিত

ডেস্ক প্রতিবেদন : মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের পশ্চিম খাবাসপুরে বিপুলসংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে।

বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি সদস্য শনিবার রাতে সালাউদ্দিন ও মুজাহিদের বাড়ির সামনে অবস্থান নেয়।

পুলিশ, র‌্যাবের পাশাপাশি চট্টগ্রাম নগরী ও জেলায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে নগরীতে ৬ প্লাটুন, রাউজানে ২ প্লাটুন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডে ২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ২৮ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এমারত হোসেন বিজিবি মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরায় বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বাড়িসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় চার শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন দুইজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার একেএম হাফিজ আক্তার এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর তাঁর পারিবারিক কবরস্থানে পুলিশের তত্ত্বাবধানে কবর খোঁড়ার কাজ শুরু হবে। মরদেহ পৌঁছালে সঙ্গে সঙ্গে তা দাফন করা হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত কবর দেওয়ার স্থানটি পুলিশ ঘিরে রাখবে।
পুলিশ সুপার হাফিজ আক্তার বলেন, ফেনীসংলগ্ন চট্টগ্রাম সীমানায় একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে আরও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায় কার্যকর হওয়ার পর তাঁর মরদেহ চট্টগ্রামের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া। চট্টগ্রামের ঢুকলে ওই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ অন্য সদস্যরা তা গ্রহণ করে রাউজানের গহিরা নিয়ে যাবেন।

faridpur-mojahid-news-1এদিকে, মুজাহিদের বাড়িতে কবর খোঁড়ার কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে মুজাহিদের ভাগিনা রেশাদুল হাকিম ও জামায়াত নেতা বদরুদ্দিন জানান, মুজাহিদের বড়ভাই আলী আবজাল মো. খালেছ জানাবেন কোথায় তার দাফন সম্পন্ন হবে।

তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার আলীপুর কবরস্থানে লাশ দাফনের চিন্তাভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আলীপুর কবরস্থানের কেয়ারটেকার দুলাল শেখ।

তিনি বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যার পর পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার বাদল হোসেন তাদের প্রস্তুত থাকার জন্য জানিয়েছেন। প্রশাসনের নির্দেশ পেলেই কবর খোঁড়ার কাজ শুরু হবে।’

ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে যেখানে দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেখানেই দাফন সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা হবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। দাফন কাজে পরিবারের সদস্যদের অংশ নিতে কোনো বাধা নেই।’

শেয়ার করুন