মোবাইল সেট নম্বর নিবন্ধন শুরু এপ্রিলে

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : মোবাইল সিমের নম্বর নিবন্ধনের শেষে প্রতিটি মোবাইল সেটের স্বতন্ত্র নম্বরও নিবন্ধনের ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার। আগামী বছরের এপ্রিলের পরপরই মোবাইল সেটের আইএমইআই নম্বর (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডইন্টিটি) রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু হবে।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে ‘মোবাইল ডিভাইসেস অ্যান্ড ইটস রোল ইন ন্যাশনাল সিকিউরিটি’ বিষয়ে এ গোল টেবিল সেমিনারে এসব কথা বলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। গোলটেবিল সেমিনারের আয়োজন করেন টেলিকম রিপোটার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি)।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের নিরাপত্তা ও স্বস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে সিম রেজিস্ট্রেশন ও সেটের আইএমইআই নম্বর রেজিস্ট্রশন জরুরি। সিম রেজিস্ট্রেশনের কাজটি একটি ভালো অবস্থায় আনা গেছে। এপ্রিলে সিম রেজিস্ট্রেশনের কাজ শেষ হবে। এরপর সেটের আইএমইআই নম্বর রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু হবে। তা না হলে নিরাপত্তার দিকটি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

কতদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধ থাকবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, জননিরাপত্তা ও জনস্বার্থে যতদিন প্রয়োজন ততদিন ফেসবুক বন্ধ থাকবে। তিনি আরো বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ফেসবুকসহ যে সব ইন্টারনেট অ্যাপস বন্ধ রয়েছে তা বন্ধ থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থেই এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ রাখা হয়েছে। তারপরেও অনেকেই বিকল্প উপায়ে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তবে বিকল্প উপায়ে ইন্টারনেটের এই ব্যবহার নাশকতাকারীদের খুব বেশি সুবিধা প্রদান করবে না দাবি করেন তারানা হালিম। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বিকল্প উপায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারকে আমরা তদারকির আওতায় আনতে পারছি। এছাড়া তারা ইন্টারনেটের স্পিড খুব বেশি পাচ্ছে না। ফলে বিকল্প উপায়ে ফেসবুকের ব্যবহার খুব বেশি নিরাপত্তা ঝুঁকির সৃষ্টি করবে না।

তারানা হালিম বলেন, দেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে ছাত্র সমাজসহ দেশের জনগণ যেরকম ত্যাগ স্বীকার করেছেন সেভাবেই বর্তমান সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে ইন্টারনেটের সীমিত ব্যবহারের বিষয়টি মেনে নিয়ে একই রকম কন্ট্রিবিউশন রাখবেন।

টেলিকম রিপোটার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি)’র প্রেসিডেন্ট রাশেদ মেহেদীর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। এছাড়াও এতে অংশ নেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, কাস্টমস ইন্টিলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশনের ডিরেক্টর জেনারেল ড. মঈনুল খান, র্যা বের কমিউনিকেশন উইং পরিচালক কমান্ডার শাহেদ করিম, লার্ন এশিয়ার সিনিয়র পলিসি ফেলো আবু সাইদ খান, ইনভিকোর সিইও ফাওয়াদ গোরায়ের, বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক লে. কর্নেল মোল্লা মো. জুবায়ের, র্যা ব-১০ এর কমান্ডিং অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার (ডিবি) মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

শেয়ার করুন