মাত্র ১৬০ কেজি ওজন!

প্রকাশিত

আব্দুল হান্নান। ছবি: মুক্তমন

বগুড়া অফিস : বয়স পঞ্চাশ। পেশায় স্বর্ণের ব্যবসায়ী। তাকে বগুড়ার সবচেয়ে মোটা মানুষ হিসেবে জানে সবাই। তাই তার মোটা হওয়ার রহস্য জানার কৌতুহল সবার। তবে অস্বাভাবিক ওজন নিয়ে অস্বস্তিতে সময় কাটে হান্নানের।

বগুড়া শহরের কাটনারপাড়া নিবাসী মৃত আব্দুস সালামের পুত্র আব্দুল হান্নান। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর এক স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তিনি শহরের ঝাউতলা এলাকায় স্বর্ণের ব্যবসা করেন।

তাঁর অস্বাভাবিক স্থুলতা বা মোটা হওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০১৪ সালে এক সড়ক দূর্ঘটনায় তার একটা হাত ভেঙ্গে যায়। তখন তার শরীরের ওজন ছিল ৭২ কেজি। বর্তমানে তার ওজন দ্বিগুণের বেশী হয়ে ১৬০ কেজি।

ভাঙ্গা হাতের ৮ মাস যাবৎ চিকিৎসা করেন ঢাকার ট্রমা সেন্টারে। সেখানে প্রথমে যখন চিকিৎসা নেন তখন তাকে দিনে তিন বেলা তিনটি করে দৈনিক ৯টি করে ১১ দিনে মোট ৯৯টি ইনজেকশন পুশ করা হয়। এরপর কিছু ওষুধ সেবন করতে দেয়া হয়।

এ চিকিৎসা থেকে তিনি ধীরে ধীরে মোটা হতে শুরু করেন। শরীরের ওজন কমাতে এরই মধ্যে দেশে ও বিদেশে চিকিৎসা নিয়েছেন। ভারতের এক চিকিৎসকের চিকিৎসায় কিছুটা ওজন কমলেও তা স্থায়ী হয়নি।

হান্নান বলেন, মোটা হওয়ার আগে এক বেলায় ১০টি রুটি , বেশী পরিমাণ ভাত ও অন্যান্য খাবার খেয়েছি। কিন্তু বর্তমানে দুটি রুটি বা ভাতসহ স্বাভাবিক খাবার খাচ্ছি। খাবার কমে দিয়েও ওজন কমছে না।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে ভারতে চিকিৎসার জন্য যেতে পারিনি। তবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি শিগরিই ভারতে যাব।

তিনি আরো জানান, স্বাভাবিক কাজ বা চলাফেরায় সমস্যা নেই। শুধু বেশী সময় হাঁটলে শরীর হাঁপিয়ে ওঠে। অধিক ওজন নিয়ে অস্বস্তিতে সময় কাটে।

শেয়ার করুন