পাপুল বাইচান্স এমপি: ডেপুটি স্পিকার

প্রকাশিত

মুক্তমন ডেস্কঃ কুয়েতের কারাগারে আটক লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম পাপুল একজন প্রফেশনালি স্মাগলার এবং তিনি বাইচান্স এমপি হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া। গতকাল অনলাইন সংবাদ মাধ্যম বার্তা২৪ এর এক সাক্ষৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ১৯৮৮ সালে সিলেটের একজন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে সোনা চোরাচালান কারবারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিল এবং ধরাও পড়েছিলেন। তা নিয়ে দেশের প্রতিটি পত্রিকায় শিরোনামে আসে। তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন প্রফেসর এম এ মতিন। এটার ওপর প্রফেসর মতিন সাহেবের কাছে সংসদে স্টেটমেন্ট দাবি করেছিল তৎকালীন বিরোধী দল। তখন প্রফেসর মতিন উত্তর দিলেন ‘হি ইজ এ স্মাগলার বাই প্রফেশন, এমপি বাইচান্স। ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, শহিদুল ইসলাম পাপুলের ক্ষেত্রেও এই শব্দটা ব্যবহার করতে চাই যে, ‘হি ইজ এ স্মাগলার বাই প্রফেশন, এমপি বাইচান্স।

তিনি আরো বলেন, পাপুল আমাদের মনোনীত কোনো প্রার্থী নয়, সেজন্য আওয়ামী লীগ এখন পর্যন্ত তাকে বহিষ্কার করতে পারেনি।

আওয়ামী লীগের পক্ষে তাকে বহিষ্কার করা সম্ভবও হবে না। তাকে যদি কেউ দল থেকে বহিষ্কার করতো তখন তার সদস্য পদ নিয়ে সরাসরি একটা প্রশ্ন উঠতো। এখন তার সদস্য পদ নিয়ে প্রশ্ন উঠবে তখন, যখন সে কমপক্ষে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত হবেন নৈতিক স্খলনজনিত কারণে।

পাপুলের কর্মকাণ্ডে সংসদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার আগে আমি বলবো দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। সংসদ তো পরে। সে এই দেশের নাগরিক, তারপর সে একজন সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, সংসদ তখনই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে, যখন তার বিরুদ্ধে একটা বিচারের কপি ওই দেশের সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে পাঠানো হবে বা যে কেউ যদি দরখাস্তসহ বা সাজার সার্টিফাইড কপিসহ স্পিকার সাহেবকে পাঠান তখন স্পিকার সিদ্ধান্ত নেবেন।

শেয়ার করুন