পশু আমদানি নিষিদ্ধসহ ৫ দফা দাবি গোশত ব্যবসায়ীদের

প্রকাশিত

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক:আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু-মহিষের গোশত আমদানি নিষিদ্ধ, কোরবানির কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণসহ সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ গোশত ব্যবসায়ী সমিতি। গতকাল শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশ গোশত ব্যবসায়ী সমিতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন গোশত ব্যবসায়ী সমিতির যৌথ উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

বাংলাদেশ গোশত ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ, মহাসচিব রবিউল আলম, ঢাকা মেট্রোপলিটন গোশত ব্যবসায়ী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক শামিম আহম্মেদ কোরেশী, বাংলাদেশ পশুর বর্জ্য সংগ্রহকারী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহম্মেদ, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ ইমরান প্রমূখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
গোশত ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো হলো- ভারত ও মিয়ানমারের গরু, মহিষ, গোশত আমদানি নিষিদ্ধ করা। চামড়া শিল্পের সিইটিপি, রফতানির জন্য ছাড়পত্র দেয়া। গাবতলী গরুর হাটের অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ করা। গোশত শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ এবং কোরবানির কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা। সরকার, শিল্পপতি ব্যবসায়ী, সমাজে প্রতিষ্ঠিতদের জাকাতের অর্থ থেকে গরিব, কৃষক, বিধবা, বেকার যুব সমাজের মাঝে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া উপহার দিয়ে পশুপালনে উৎসাহিত করতে পারলে বিশ্বকে তাক লাকিয়ে ৩০০ টাকায় গোশত খেতে পারব বলেও দাবি করেন তারা।

ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু, মহিষ ও গোশত আমদানি বন্ধ করতে হবে দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভারত-মিয়ানমার গরু পাচার করে প্রতি বছর ৬০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কৃষকদের কৃষিঋণের মাধ্যমে ১০ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে চরাঞ্চলগুলো পশুপালনের আওতায় আনতে পারলে গোশত ও কোরবানি পশুর চাহিদা পূরণ করেও বিদেশে গোশত, হাড়, শিং, নাড়ী-ভুড়ি, চামড়া রফতানি করে ৬০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব।

শেয়ার করুন