পণ্য সরবরাহ ঠিক রাখতে সেনা কনভয়ের পরামর্শ

প্রকাশিত

নিউজ ডেস্ক : সিপিডি’র বিশেষ ফেলো ও নির্বাহী পরিচালক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন দেশে এবার ফসলের উৎপাদন ভাল। সুতরাং খাবারের সংকট নেই। রোজায় যে বিশেষ কিছু খাবার খাওয়া হয় এগুলোর উৎপাদনও ভাল। আবার আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলা বা খেজুরের মূল্য কম।

দেবপ্রিয় বলেন, এই পণ্যগুলো বাজারে আনতে হবে। দেখা যাচ্ছে এক্ষেত্রে বিশৃংখলা রয়েছে। কোথাও টমেটো বা বেগুন ১ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কোথাও দাম আকাশ ছোঁয়া। এই সমস্যা মিটাতেই সরকারকে পরিবহন কনভয় করতে হবে।

তিনি বলেন, এগুলো করতে হবে স্বাস্থ্য বিধি মেনেই। লকডাউন অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। মানুষের জীবন জীবিকার ক্ষেত্রে বিধ্বংশি। তাই তাড়াতাড়ি লকডাউন থেকে বের হতে চাইলে লকডাউন মানতে হবে।

অর্থনীতিবিদ মনোয়ার মোস্তফা বলেন, করোনায় মানুষের অভ্যাসেরও পরিবর্তন হয়েছে। সচেতন ও অসচেতন দুটি শ্রেণীর সৃষ্টি হয়েছে। গরীবরা লক ডাউন মানছেন। মধ্যবিত্তের একটা অংশ অসচেতন। এই অসচেতন গোষ্ঠীই রোজায় নানা ধরনের সংস্কৃতি চালু করেছিল। যেমন ইফতার পার্টি বা কিছু খাদ্যের। করোনায় এগুলো এই গোষ্ঠি করবে না। এর বাইরে তো গরীবের রোজায়তো কোন সমস্যা নেই। তবে গরীবের হাতে টাকা থাকলেই যে প্রয়োজনীয় পন্য কিনতে পারবেন এর নিশ্চয়তা কিন্তু বাজারে নেই। কারণ বড় লোকেরা বেশি দামে আগেই কিনে নিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে সরকারের পণ্য সরবরাহ বেশি রাখতেই হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

শেয়ার করুন