আড়ানীতে সেতু ও সড়ক ভেঙে যান চলাচল বন্ধের উপক্রম

প্রকাশিত

মুক্তমন ডেস্ক:রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার রেলস্টেশন বাজার-গোচর সড়কের খয়েরমিল এলাকায় খালের উপর নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় ঝুঁকির মধ্যে চলাচল করছেন মানুষ।

এদিকে আড়ানী বাজার থেকে স্টেশনবাজার পর্যন্ত সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় বেহাল অবস্থা হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে যান চলাচল হয়ে পড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

দ্রুত সংযোগ সড়ক ও রাস্তাটি মেরামতের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

জানা যায়, বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার কয়েকটি মহল্লার বিলের পানি বর্ষা মৌসুমে খাল দিয়ে বড়াল নদে এসে পড়ে।

পানিপ্রবাহ হতে হতে ভেঙে পড়েছে পাড়। আড়ানী স্টেশন বাজার-গোচর সড়কে খয়েরমিল নামক স্থানে ওই খালের ওপর ২০১৪ সালে একটি ছোট সেতু নির্মাণ করা হয়। সড়ক ও সেতুটি উপজেলা এলজিইডির তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়।

এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন পূর্বে সেতুটির দক্ষিণ প্রান্তের ডান পাশের অ্যাপ্রোচ ওয়ালের মাটি ভেঙে পড়েছে। ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

আড়ানী পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিল্লুর রহমান সরদার জানান, সেতুর এক পাশের মাটি সরে যাওয়ায় সেতুটিও ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

ফলে ভারি কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। অনেকেই বিকল্প রাস্তা দিয়ে চলাচল করছেন।

স্থানীয় ফরজ আলী জানান, সবজি খ্যাত এলাকা গোচর, কুশবাড়িয়া, হামিদকুড়া, কৃষিপণ্য এই সেতুটির ওপর দিয়ে পরিবহন করা হয়

। কৃষিপণ্য পরিবহনের স্বার্থে দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি মেরামতের প্রয়োজন।

আড়ানী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোজাম্মেল হক রাজ বলেন, এ রাস্তাটি আড়ানী রেলস্টেশনে যাওয়ার পথে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।

আড়ানী পৌর মেয়রকে অবগত করার পর ইট-বালু দিয়ে মেরামত করা হয়। আবার অতিবৃষ্টির কারণে গর্ত হয়েছে। তারপরও ব্যস্ততম রাস্তা দিয়ে যেতে হয়।

উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় হাট আড়ানী ও রুস্তমপুর হাট। মানুষের চলাচলের প্রধান এই রাস্তা; মাত্র দেড় কিলোমিটার রাস্তাটি সংস্করণ করা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাড়ি এখানে।

এ ব্যাপারে বাঘা উপজেলা প্রকৌশলী রতন কুমার ফৌজদার জানান, সেতুটির অবস্থা সম্পর্কে জেনেছি। এরই মধ্যে সার্ভে করে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে

। শিগগিরই মেরামত করা হবে। এছাড়া সড়কটি সংস্করণের জন্য বরাদ্দের জন্য প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন