আ’লীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ব্যক্তির মৃত্যু

প্রকাশিত

মোঃ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, নোয়াখালী : নোয়াখালীর সদরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত এক ব্যক্তি ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

নিহত আবদুল হক ওরপে হক সাব (৪৮) উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের চর করমুল্যা গ্রামের আমিন উল্যার ছেলে এবং এওজবালিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল মান্নান গ্রুপের লোক ছিলেন ।

সুধারাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নবীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি আরো জানান, শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবদুল হক মারা যায়। দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডের করমুল্যা বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।এতে ১১ জন আহত হয়। সংর্ঘষ চলাকালে ৫-৬ টি দোকান ভাংচুর করা হয়।

জানা যায়, ইউপি সদস্য ও এওজবালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মান্নান এবং পার্শ্ববর্তী কালাদরাপ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল ডাক্তারের সাথে দীর্ঘদিন আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব চলছে। তারই জের ধরে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে দফায় দফায় কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে রাত ৯টার দিকে সেটি রূপ নেই সংঘর্ষে। এ সময় এক পক্ষ অপর পক্ষকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে। সংঘর্ষ চলাকালে ৫-৬টি দোকানপাটও ভাঙচুর করে তারা।

নিহত আবদুল হক ছাড়াও সংঘর্ষে আহতরা হলো, আমিন উল্যার ছেলে মো. সিরাজ (৫৫), ওবায়দুল্লার ছেলে আবদুর রহমান (৫০), সাইদুল হকের ছেলে কামাল উদ্দিন (৩২), মজিবুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৭), ওবায়দুল্লার ছেলে আবদুর রহমান (৪০), নুর আলমের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৫), আব্দুল কাদের ছেলে সালা উদ্দিন (১৯), আবদুল গনি ছেলে শহীদুল্লা (৪০), আলী আহম্মদের ছেলেলিটন (২৭), আব্দুল বেচুর ছেলে সিরাজ (৪৫)। আহতদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

শেয়ার করুন