আমগুলো পাকাতে জানতে হবে

প্রকাশিত

নয়ন মজুমদার : আম শুধু কিনলেই হবে না।আম গুলো পাকাতে জানতে হবে।আম বাগান থেকে পারার পরে ৩-৪ দিন সময় লাগে পাকতে।হিমসাগর আম খুব মিষ্টি আম হবে।ফরমালিন দেওয়া না থাকায় আম গুলো স্বাভাবিক ভাবে পাকবে না।প্রাকৃতিক ভাবে আম গুলো পাকাতে হবে।

তো অনেকে আম নিয়েছেন।আম গুলো নিয়ে মেঝেতে, ফ্যানের বাতাসে আম গুলো শুকাতে দেন তা কোন ভাবে করা যাবে না।এতে আমের ভিতরের রস শুকিয়ে যাবে।

পাকা আম গুলো বাছাই করে খেয়ে ফেলতে হবে।পাকা আম গুলো না খেয়ে রেখে দিলে আমে পচন ধরবে।কাচা আম কোন ভাবে ফ্রিজে রাখা যাবে না।

আম কাটার পর যদি হলুদ হয় তাহলে বুজতে হবে আম পাকতে সময় লাগবে।সে ক্ষেত্রে আম একটু টক হবে।তারপর আপনি দোষারোপ করবেন বিক্রেতাকে টক আম দিলো এ বলে।

আম গুলো সবই পরিপক্ক।ক্যারেটে কাগজ দিয়ে মুড়িয়ে বা চালের ভিতরে রেখে আম গুলো পাকানো যাবে। তবে দিনে দুই বার আম গুলো চেক করতে হবে।পাকা আম গুলো নিয়ে ফেলতে হবে।কোন ভাবে রাখা যাবে না।

আমরা এমন অবস্থায় এসে গেছি,খাঁটি জিনিস পাওয়ার পরও আমাদের মাথায় বেজাল জিনিসটা মাথায় সেট করা আছে।খাওয়ার সময় ফরমালিন আম পরিস্কার ও চকচকে হয়,এ আম গুলো এমন হয় না কেন তার সাথে তুলনা করি। আম যদি একটু অপরিস্কার এবং আমের কষ সহ থাকে তাহলে বুজবেন বিক্রেতা আপনাকে ভাল আম দিয়েছেন এবং আপনি জিতছেন।

আরেকটা বিষয়, অনেক সময় দেখা যায়। ২০ কেজি আম অর্ডার করলে কুরিয়ারে ওজন মেপে ২০০-৩০০ গ্রাম কম।এটা স্বাভাবিক। ২০ কেজির আমে ২০ কেজি ৫০০-৬০০ গ্রাম আম দেওয়া থাকে।কুরিয়ারে ২-৩ দিন সময়ে আমের আদ্রতা কমে যাওয়ায় ওজন একটু কম-বেশি হতে পারে।ভাল আম পাওয়ার স্বার্থে এটা আমাদের ক্রেতা দের উচিত মেনে নেওয়া।

লেখক : চট্রগ্রাম থেকে, কাজ করি মৌসুমভিত্তিক ফল নিয়ে।

শেয়ার করুন